কোন বিজ্ঞানীর সংজ্ঞানুসার নিউট্রন কণাকে ভাঙলে প্রোটন ও ইলেকট্রন পাওয়া যায়?

Updated: 6 months ago
  • বিজ্ঞানী জে জে থমসন
  • বিজ্ঞানী চ্যাড উইক
  • বিজ্ঞানী হাইজেন বার্গ
  • বিজ্ঞানী রাদার ফোর্ড
806
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

১৯২০ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford) সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াসের ভেতরে একটি আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণার অস্তিত্বের কথা অনুমান করেন। তাঁর ধারণা বা সংজ্ঞানুযায়ী, একটি প্রোটন এবং একটি ইলেকট্রন অত্যন্ত নিবিড়ভাবে যুক্ত হয়ে এই আধানহীন কণাটি গঠন করে। রাদারফোর্ডের এই আদি ধারণা বা সংজ্ঞার ওপর ভিত্তি করেই বলা হয় যে, নিউট্রন কণাকে ভাঙলে প্রোটন ও ইলেকট্রন পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক (James Chadwick) বেরিলিয়াম পরমাণুকে আলফা কণা দ্বারা আঘাত করে নিউট্রন কণা আবিষ্কার করেন এবং এটি যে একটি স্বতন্ত্র মৌলিক কণা তা প্রমাণ করেন।

অপশনসমূহের বিশ্লেষণ:

        
  • বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড: ১৯২০ সালে তিনি নিউট্রনের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎবাণী করেন এবং এটিকে প্রোটন-ইলেকট্রনের একটি যুগলবন্দী অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন।
  •     
  • বিজ্ঞানী চ্যাডউইক: তিনি ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। তিনি দেখান যে নিউট্রন কোনো যৌগিক কণা নয়, বরং এটি একটি মৌলিক কণা।
  •     
  • বিজ্ঞানী জে জে থমসন: তিনি ১৮৯৭ সালে ক্যাথোড রশ্মি পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর অন্যতম মূল কণিকা 'ইলেকট্রন' আবিষ্কার করেন।
  •     
  • বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ: তিনি পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান ও ভরবেগ একই সাথে নিখুঁতভাবে পরিমাপের সীমাবদ্ধতা প্রকাশকারী বিখ্যাত 'অনিশ্চয়তা নীতি' (Uncertainty Principle) প্রদান করেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী, একটি মুক্ত নিউট্রন স্থায়ী নয়। এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিটা ক্ষয়ের (Beta Decay) মাধ্যমে ভেঙে একটি প্রোটন, একটি ইলেকট্রন এবং একটি অ্যান্টি-নিউট্রিনো তৈরি করে:

\[n \rightarrow p + e^{-} + \bar{\nu}_{e}\]

যেহেতু এই রূপান্তরের আদি তাত্ত্বিক ধারণা রাদারফোর্ড দিয়েছিলেন, তাই তাঁর সংজ্ঞানুসারেই নিউট্রন ভেঙে প্রোটন ও ইলেকট্রন পাওয়ার বিষয়টি পঠিত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

কোয়ান্টাম সংখ্যা

১। প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা ,n(Principle quantum number)

যে কোয়ান্টাম সংখ্যার সাহায্যে পরমাণুতে অবস্থিত ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার নির্ণয় করা যায় তাকে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। একে n দ্বারা প্রকাশ করা হয়,n এর মান যথাক্রমে 1,2,3,4,..... প্রভৃতি পূর্ণ সংখ্যা। প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যার মান বৃদ্ধি হলে নিউক্লিয়াস হতে প্রধান স্তরের দূরত্ব এবং শক্তিস্তরের আকার বৃদ্ধি পায়। বোর মতবাদ অনুসারে n=1 হলে ১ম শক্তিস্তর বা K শেল, n=2 হলে ২য় শক্তিস্তর বা L শেল, n=3 এবং n=4 হলে M ও N ইত্যাদি বোঝায়। যে কোনো প্রধান শক্তিস্তর সর্বোচ্চ 2n² ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে।

 

২.সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা ,ℓ(Azimuthal quantum number)

কৌণিক ভরবেগ কোয়ান্টাম সংখ্যা বা অরবিটাল কোয়ান্টাম সংখ্যা নামেও পরিচিত, সাব শেলকে বর্ণনা করে এবং সম্পর্কের মাধ্যমে অরবিটাল কৌণিক ভরবেগের মাত্রা দেয়।

L2 = ħ2 ℓ (ℓ + 1) রসায়ন এবং বর্ণালীবিদ্যায়, ℓ = 0 কে s অরবিটাল, ℓ = 1, p অরবিটাল, ℓ = 2, d অরবিটাল এবং ℓ = 3, f অরবিটাল বলা হয়।

ℓ এর মান 0 থেকে n −1 পর্যন্ত, তাই প্রথম p অরবিটাল (ℓ = 1) দ্বিতীয় ইলেকট্রন শেলে (n = 2) প্রদর্শিত হয়, প্রথম d অরবিটাল (ℓ = 2) তৃতীয় শেলে (n = 2) প্রদর্শিত হয় = 3), এবং তাই:[2]

ℓ = 0, 1, 2,..., n −1 n = 3, ℓ = 0 থেকে শুরু হওয়া একটি কোয়ান্টাম সংখ্যা, একটি পরমাণুর তৃতীয় ইলেকট্রন শেলের s কক্ষপথে একটি ইলেকট্রনকে বর্ণনা করে। রসায়নে, এই কোয়ান্টাম সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি পারমাণবিক কক্ষপথের আকৃতি নির্দিষ্ট করে এবং রাসায়নিক বন্ধন এবং বন্ধন কোণকে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করে। আজিমুথাল কোয়ান্টাম সংখ্যাটি একটি কক্ষপথে উপস্থিত কৌণিক নোডের সংখ্যাও নির্দেশ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, p অরবিটালের জন্য, ℓ = 1 এবং এইভাবে একটি p অরবিটালে কৌণিক নোডের পরিমাণ হল 1।

অরবিটালের আকৃতি আজিমুথাল কোয়ান্টাম সংখ্যা দ্বারা দেওয়া হয়।

 

৩. চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা ,m(Magnetic quantum number)যে সকল কোয়ান্টাম সংখ্যার সাহায্যে ইলেকট্রনের কক্ষপথের ত্রিমাত্রিক দিক বিন্যাস প্রকরণ সমূহ প্রকাশ করা হয়, তাকে ম্যাগনেটিক কোয়ান্টাম সংখ্যা বা চুম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। চুম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা, m এর মান {\displaystyle -l} থেকে l এর পর্যন্ত পূর্ণসংখ্যা। নন-ডিজেনারেট অবস্থায় অরবিটালসমূহ সমশক্তির, তবে চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে শক্তির পার্থক্য তৈরি হয়। আর বলা বাহুল্য, z অক্ষ বরাবর অরবিটাল, যেমন pz, d এর বেলায় m=0

 

৪. ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা ,s(Spin quantum number)

নিজ অক্ষের চারদিকে ইলেকট্রনের ঘুর্ণনের দিক প্রকাশক কোয়ান্টাম সংখ্যা সমূহকে স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা বা ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। এই কোয়ান্টাম সংখ্যা, s, ফার্মিয়ন কণার বেলায় তা ±½ এর গুণিতক। ইলেক্ট্রনের বেলায় তা ½। +½ ও -½ এর মধ্যে যেকোনো একটিকে ঘড়ির কাটার দিকে ঘূর্ণায়মান ও অপরটি ঘড়ির কাটার বিপরীত অভিমুখে ঘূর্ণায়মান । এটিকে upspin ও downspin electrons ও বলা হয়।

 

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই